বাড়ির ছাদে শিশুদের খেলতে দেওয়ার সময় কী সতর্কতা নেওয়া উচিত?
প্রাপ্তবয়স্কদের তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করতে হবে এবং ছাদের চারপাশে নিরাপদ রেলিং থাকতে হবে।
পৃষ্ঠা 17 / 23
প্রাপ্তবয়স্কদের তত্ত্বাবধান নিশ্চিত করতে হবে এবং ছাদের চারপাশে নিরাপদ রেলিং থাকতে হবে।
এতে ময়লা, পোকামাকড় ও দূষিত পদার্থ পানিতে প্রবেশ করতে পারে না এবং পানির মান ভালো থাকে।
হ্যাঁ। শিশুদের বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমাতে সকেট সেফটি কভার ব্যবহার করা ভালো।
না। এতে মোটর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং এর কার্যক্ষমতা কমে যেতে পারে।
কাঠামোগত ধারণক্ষমতা যাচাই করতে একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ারের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
সহজে দৃশ্যমান ও সহজে ব্যবহারযোগ্য স্থানে, বিশেষ করে রান্নাঘর বা প্রবেশপথের কাছাকাছি রাখা উচিত।
ভাড়ার চুক্তি, বাড়ির অবস্থা, বিদ্যুৎ-পানি সংযোগ, নিরাপত্তা এবং ভাড়ার শর্ত ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।
হ্যাঁ। এতে ভবিষ্যতে ক্ষতি বা জামানত নিয়ে বিরোধের ক্ষেত্রে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
ভালো মানের রং দেয়ালকে দীর্ঘদিন সুরক্ষা দেয় এবং আর্দ্রতার ক্ষতি কমাতে সাহায্য করে।
ডিশ এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে ভবনের ক্ষতি না হয় এবং নিরাপদভাবে সংযুক্ত থাকে।
পরিবারের সদস্যরা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও সঠিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারে।
হ্যাঁ। এতে দূষিত পানি বিশুদ্ধ পানির লাইনে ফিরে আসার ঝুঁকি কমে।
পর্যাপ্ত উচ্চতার রেলিং দুর্ঘটনাজনিত পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমায় এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
মজবুত ও কার্যকর গেট বাড়ির নিরাপত্তা বাড়ায় এবং অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবেশ রোধে সাহায্য করে।
দলিল, অনুমোদিত নকশা, করের রসিদ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি নিরাপদ ও শুকনো স্থানে সংরক্ষণ করা উচিত।
অনুমোদিত নকশা অনুসরণ করা, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ করা, কর সময়মতো পরিশোধ করা, ভাড়াটিয়ার অধিকার সম্মান করা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় রাখা এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (BNBC) ও সংশ্লিষ্ট আইন মেনে চলাই একজন দায়িত্বশীল বাড়ির মালিকের প্রধান দায়িত্ব।
জমির মালিকানা, নামজারি, খতিয়ান, অনুমোদিত নকশা, ভবনের উচ্চতার নিয়ম, সড়কের প্রস্থ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি যাচাই করা উচিত।
লাইসেন্সপ্রাপ্ত স্থপতি (Architect) বা প্রকৌশলী (Engineer) ভবনের নকশা প্রস্তুত করতে পারেন।
অনুমোদিত নকশায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।
না। ভবনের সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদন নিতে হতে পারে।
অনেক এলাকায় একতলা ভবনের ক্ষেত্রেও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদন প্রয়োজন হয়।
পৌরসভা এলাকায় সাধারণত সংশ্লিষ্ট পৌর কর্তৃপক্ষ ভবন নির্মাণের অনুমোদন প্রদান করে।
এলাকাভেদে রাজউক বা সংশ্লিষ্ট সিটি কর্পোরেশনের নিয়ম অনুযায়ী অনুমোদন নিতে হয়।
হ্যাঁ। নির্মাণকাজে শ্রমিক ও আশপাশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।