বাবার মৃত্যুর পর ব্যাংক লকার কীভাবে খোলা যায়?
সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে লকার খোলার আবেদন করতে হয়।
পৃষ্ঠা 10 / 15
সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়ে লকার খোলার আবেদন করতে হয়।
জবরদখল, প্রতারণা বা অপরাধমূলক ঘটনা ঘটলে থানায় অভিযোগ করা যেতে পারে। মালিকানা সংক্রান্ত বিরোধ সাধারণত দেওয়ানি আদালতের বিষয়।
বৈধ উত্তরাধিকারীরা বা বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত মালিকরা ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করবেন।
সবচেয়ে সাধারণ প্রশ্নগুলো হলো— কে কত অংশ পাবে, মেয়ের অধিকার কতটুকু, ওয়ারিশ সনদ কীভাবে পাওয়া যায়, নামজারি কীভাবে করতে হয়, সম্পত্তি ভাগ না হলে কী করতে হবে এবং আদালতে মামলা করতে হলে কী কী কাগজপত্র লাগবে।
সব ক্ষেত্রে আইনজীবী বাধ্যতামূলক নয়। তবে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, একাধিক উত্তরাধিকারী বা জটিলতা থাকলে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া উচিত।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়া অনুযায়ী সাধারণত ৭ থেকে ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ওয়ারিশ সনদ পাওয়া যায়।
সাধারণত মৃত্যু সনদ, আবেদনপত্র, আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, পরিবারের সদস্যদের তথ্য এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য নথি লাগতে পারে।
বাংলাদেশে অনেক ক্ষেত্রে সরকারি ভূমি সেবার মাধ্যমে অনলাইনে নামজারির আবেদন করা যায়।
এ ক্ষেত্রে পারিবারিক সমঝোতার চেষ্টা করা উচিত। সমাধান না হলে আদালতের মাধ্যমে বিষয়টির নিষ্পত্তি করা যেতে পারে।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার অফিস বা ভূমি অফিস থেকে নথির সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহ করা যায়।
হ্যাঁ। সঠিক অংশ বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য প্রয়োজনে জমি পরিমাপ করা উচিত।
ফ্ল্যাটটিও অন্যান্য সম্পত্তির মতো আইন অনুযায়ী বৈধ উত্তরাধিকারীদের মধ্যে ভাগ হবে। প্রয়োজনে বিক্রি করে মূল্যও ভাগ করা যেতে পারে।
না। বিয়ে হয়েছে কি না, তার ওপর উত্তরাধিকার অংশ নির্ভর করে না। প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী অংশ নির্ধারিত হয়।
হ্যাঁ। বিবাহিত হলেও কন্যা সন্তান তার বৈধ উত্তরাধিকার অধিকার হারায় না।
বিআরটিএ-এর নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে মালিকানা পরিবর্তনের আবেদন করতে হয়।
সম্পত্তি হস্তান্তর ও ব্যবস্থাপনার সুবিধার জন্য বকেয়া ইউটিলিটি বিল পরিশোধ করা ভালো।
সালিশের ফলাফল পক্ষগুলোর সম্মতি ও প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী কার্যকর হতে পারে। প্রয়োজনে আদালতের শরণাপন্ন হওয়া যায়।
সব ক্ষেত্রে নয়। তবে কিছু লেনদেন বা নিবন্ধনের ক্ষেত্রে টিআইএন প্রয়োজন হতে পারে।
জাতীয় পরিচয়পত্র অধিকাংশ প্রশাসনিক ও নিবন্ধন কার্যক্রমে প্রয়োজন হয়।
হ্যাঁ। সব উত্তরাধিকারী একমত হলে আলোচনার মাধ্যমে লিখিতভাবে সম্পত্তি বণ্টন করা যায়।
আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় দলিলের মাধ্যমে তিনি তার অধিকার ত্যাগ বা হস্তান্তর করতে পারেন।
নামজারি সম্পন্ন হলে সরকারি রেকর্ডে নতুন মালিকানার তথ্য হালনাগাদ হয়।
প্রতারণার প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে থানায় অভিযোগ করা বা দেওয়ানি/ফৌজদারি আদালতের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।
একটি নয়; সাধারণত মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ, জমির দলিল, খতিয়ান এবং নামজারির নথি—সবগুলোই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।