খাজনা না দিলে কী সমস্যা হবে?
ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া থাকলে নামজারি, জমি বিক্রি বা অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে জটিলতা হতে পারে।
পৃষ্ঠা 10 / 25
ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া থাকলে নামজারি, জমি বিক্রি বা অন্যান্য প্রশাসনিক কাজে জটিলতা হতে পারে।
হ্যাঁ। জমির প্রকৃত পরিমাণ ও সীমানা নিশ্চিত করতে অনুমোদিত সার্ভেয়ার দিয়ে পরিমাপ করা ভালো।
মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশ সনদ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দিয়ে উত্তরাধিকারীদের নামে নামজারির আবেদন করতে হবে।
বাধ্যতামূলক নয়। তবে বড় অঙ্কের লেনদেন বা জটিল মালিকানার ক্ষেত্রে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।
মৌজা হলো ভূমি প্রশাসনের একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক একক, যেখানে জমির সরকারি রেকর্ড সংরক্ষণ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস, জেলা রেকর্ড রুম অথবা সরকারি অনুমোদিত উৎস থেকে মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যায়।
সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিস বা জরিপ অধিদপ্তরের মাধ্যমে জমির নকশা সংগ্রহ করা যায়।
হ্যাঁ। জমি কেনার পর যত দ্রুত সম্ভব নামজারি করা উচিত, যাতে সরকারি রেকর্ডে নতুন মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়।
দলিল নিবন্ধন সম্পন্ন করে দ্রুত নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ এবং সব কাগজপত্র নিরাপদে সংরক্ষণ করা উচিত।
স্ট্যাম্প শুল্ক, নিবন্ধন ফি, উৎস কর, ভ্যাট এবং অন্যান্য সরকারি ফি জমির মূল্য ও অবস্থানের ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়।
যে এলাকার আওতায় জমি অবস্থিত, সেই এলাকার সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে দলিল নিবন্ধন করতে হয়।
জমির দলিল নিবন্ধন, দলিল সংরক্ষণ এবং নিবন্ধিত দলিলের অনুলিপি প্রদান করা সাব-রেজিস্ট্রার অফিসের প্রধান কাজ।
হ্যাঁ। ভূমি উন্নয়ন কর নিয়মিত পরিশোধ করা হয়েছে কি না তা যাচাই করা উচিত।
খাস জমি হলো সরকারের মালিকানাধীন জমি, যা নির্দিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া হতে পারে।
সরকারি খাস জমি সাধারণভাবে ব্যক্তিগতভাবে কেনাবেচা করা যায় না। প্রযোজ্য সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী বন্দোবস্ত হতে পারে।
সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করলে উচ্ছেদ, জরিমানা এবং আইন অনুযায়ী অন্যান্য ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
লিখিত আবেদন, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং প্রমাণসহ সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা জেলা ভূমি অফিসে অভিযোগ দাখিল করা যায়।
কিছু সরকারি সেবার মাধ্যমে অনলাইনে অভিযোগ বা আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইটে তথ্য পাওয়া যাবে।
প্রথমে স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করুন, এরপর ভূমি অফিসে অভিযোগ করুন এবং প্রয়োজনে আদালতের আশ্রয় নিন।
প্রতারণার ক্ষেত্রে থানায় অভিযোগ করুন এবং প্রয়োজনে দেওয়ানি বা ফৌজদারি আদালতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
প্রয়োজন অনুযায়ী অনুমোদিত সার্ভেয়ার বা সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্তৃপক্ষ জমির সীমানা নির্ধারণে সহায়তা করেন।
সরকারি জরিপ বা অনুমোদিত সার্ভেয়ারের মাধ্যমে পুনরায় পরিমাপ করানো যেতে পারে। প্রয়োজনে আদালতের সহায়তা নেওয়া যায়।
স্থানীয় বাজার, ভূমি অফিস, নিবন্ধিত দলিলের মূল্য এবং অভিজ্ঞ রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে ধারণা পাওয়া যায়।
হ্যাঁ। স্থানীয়দের কাছ থেকে জমির ইতিহাস, বিরোধ, দখল এবং বাস্তব অবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যেতে পারে।