জমি ক্রয়ের আগে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি যাচাই করা উচিত কেন?
বিক্রেতা প্রতিনিধি হলে তার পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বৈধ এবং কার্যকর আছে কি না তা যাচাই করা জরুরি।
পৃষ্ঠা 7 / 25
বিক্রেতা প্রতিনিধি হলে তার পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বৈধ এবং কার্যকর আছে কি না তা যাচাই করা জরুরি।
নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, খতিয়ান সংক্রান্ত তথ্য, রেকর্ড সংশোধনসহ বিভিন্ন ভূমি সেবা পাওয়া যায়।
সরকারি রেকর্ডে বিক্রেতার নাম থাকলে মালিকানা যাচাই সহজ হয় এবং আইনি জটিলতা কমে।
প্রথমে সাধারণ ডায়েরি (GD) করতে হবে এবং পরে সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সত্যায়িত অনুলিপি সংগ্রহের ব্যবস্থা করতে হবে।
হ্যাঁ। জমি কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে বন্ধক রাখা আছে কিনা তা যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রত্যেক মালিকের নিজ নিজ অংশের সম্মতি বা আইন অনুযায়ী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করে বিক্রয় সম্পন্ন করতে হয়।
বাংলাদেশে কাঠা, শতাংশ, একর, বিঘা এবং বর্গফুটসহ বিভিন্ন একক প্রচলিত রয়েছে।
হ্যাঁ। বাংলাদেশে সাধারণভাবে ১ শতাংশকে ১ ডেসিমেল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
সরকারি রেকর্ড, জরিপ এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা উচিত।
হ্যাঁ। নিবন্ধনের সময় আইন অনুযায়ী সাক্ষীর উপস্থিতি গুরুত্বপূর্ণ।
দলিল সংগ্রহ করে দ্রুত নামজারির আবেদন করা এবং প্রয়োজনীয় কর পরিশোধ করা উচিত।
আইন অনুযায়ী বৈধ পাওয়ার অব অ্যাটর্নি বা অনুমোদিত প্রতিনিধির মাধ্যমে বিক্রির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যেতে পারে।
হ্যাঁ। স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার চেষ্টা করা যেতে পারে, তবে সমাধান না হলে আদালতের সহায়তা নেওয়া যায়।
দলিল, খতিয়ান, নামজারি এবং করের রেকর্ডে একই মালিকের নাম থাকলে মালিকানা প্রমাণ করা সহজ হয়।
না। সম্ভব হলে নিজে অথবা আইনজীবীর মাধ্যমে সরকারি নিয়ম অনুসরণ করে কাজ করা উচিত।
দলিল, খতিয়ান, নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, দখল, মৌজা ম্যাপ, বিক্রেতার পরিচয়, বন্ধক অবস্থা এবং আদালতে কোনো বিরোধ আছে কি না তা যাচাই করে নিবন্ধিত দলিলের মাধ্যমে লেনদেন করা উচিত।
ই-নামজারি হলো অনলাইনের মাধ্যমে নামজারির আবেদন, যাচাই ও নিষ্পত্তির একটি ডিজিটাল সরকারি ব্যবস্থা।
সরকারের নির্ধারিত অনলাইন ভূমি সেবা পোর্টালের মাধ্যমে অথবা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের সহায়তায় ই-নামজারির আবেদন করা যায়।
সরকারি অনলাইন ভূমি সেবায় যেসব রেকর্ড উপলব্ধ রয়েছে, সেগুলোর তথ্য দেখা বা নির্ধারিত নিয়মে সংগ্রহ করা যায়।
মালিকানা ধারাবাহিকভাবে হস্তান্তর হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করতে পূর্ববর্তী দলিল ও রেকর্ড যাচাই করা উচিত।
হ্যাঁ। সীমানা স্পষ্ট রাখতে এবং ভবিষ্যতের বিরোধ কমাতে সীমানা পিলার বসানো উপকারী।
হ্যাঁ। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সরকারি জরিপ বা সার্ভের আবেদন করা যায়।
জমি ব্যবহারের আগে বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা এবং নিরাপত্তা বিধি অনুসরণ করা উচিত।
সংশ্লিষ্ট গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা যায়।