বি.এস. খতিয়ান কী?
বি.এস. (Bangladesh Survey) খতিয়ান হলো বাংলাদেশ জরিপের সময় প্রস্তুতকৃত ভূমি মালিকানার রেকর্ড, যা বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে সর্বশেষ রেকর্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
পৃষ্ঠা 6 / 25
বি.এস. (Bangladesh Survey) খতিয়ান হলো বাংলাদেশ জরিপের সময় প্রস্তুতকৃত ভূমি মালিকানার রেকর্ড, যা বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে সর্বশেষ রেকর্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এস.এ. (State Acquisition) খতিয়ান হলো রাষ্ট্র অধিগ্রহণ জরিপের সময় প্রস্তুতকৃত ভূমি রেকর্ড।
সি.এস. (Cadastral Survey) খতিয়ান হলো ব্রিটিশ আমলে প্রস্তুতকৃত প্রাথমিক ভূমি জরিপ রেকর্ড।
আর.এস. (Revisional Survey) খতিয়ান হলো পূর্ববর্তী রেকর্ড সংশোধনের জন্য পরিচালিত জরিপের ভিত্তিতে প্রস্তুতকৃত রেকর্ড।
খতিয়ান, পর্চা অথবা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের রেকর্ড থেকে জমির শ্রেণি জানা যায়।
প্রযোজ্য আইন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন হতে পারে। স্থানীয় ভূমি অফিসে যোগাযোগ করা উচিত।
নির্ধারিত আইন ও বিধি অনুসারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের মাধ্যমে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের আবেদন করা যায়।
মৌজা ম্যাপের মাধ্যমে জমির অবস্থান, সীমানা এবং দাগ নম্বর নিশ্চিত করা যায়।
বৈধ উত্তরাধিকারীরা প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ উত্তরাধিকার সূত্রে নামজারির জন্য আবেদন করতে পারবেন।
নতুন জরিপ বা রেকর্ড সংশোধনের ফলে কিছু ক্ষেত্রে দাগ নম্বর পরিবর্তিত হতে পারে।
না। খতিয়ান হলো মূল রেকর্ড এবং পর্চা হলো সেই খতিয়ানের সত্যায়িত অনুলিপি।
অনুমোদিত সার্ভেয়ার অথবা সংশ্লিষ্ট ভূমি অফিসের সহায়তা নেওয়া যেতে পারে।
হ্যাঁ। এতে জমির দখল, সীমানা ও বিরোধ সংক্রান্ত বাস্তব তথ্য জানা যেতে পারে।
সংশ্লিষ্ট আদালতের নথি বা আইনজীবীর মাধ্যমে বিষয়টি যাচাই করা যেতে পারে।
সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রার অফিস এবং প্রয়োজনে আদালতের মাধ্যমে সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।
হ্যাঁ। সরকারের অনলাইন ভূমি সেবা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা যায়।
প্রকৃত মালিক কিনা তা নিশ্চিত করতে জাতীয় পরিচয়পত্র, দলিল এবং অন্যান্য নথি যাচাই করা উচিত।
হ্যাঁ। আবেদন জমা দেওয়ার প্রমাণ হিসেবে অফিসিয়াল রসিদ সংরক্ষণ করা উচিত।
হ্যাঁ। মূল কাগজের পাশাপাশি স্ক্যান কপি নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ করলে প্রয়োজনে দ্রুত ব্যবহার করা যায়।
জমির দলিল, খতিয়ান, নামজারি, দাগ নম্বর, মৌজা ম্যাপ, ভূমি উন্নয়ন কর, প্রকৃত দখল এবং বিক্রেতার পরিচয় ভালোভাবে যাচাই করে প্রয়োজনে আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে লেনদেন করা উচিত।
খাস জমি হলো সরকারের মালিকানাধীন জমি, যা নির্ধারিত নীতিমালা অনুযায়ী যোগ্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বন্দোবস্ত দেওয়া হতে পারে।
সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা জেলা প্রশাসনের ভূমি শাখায় নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে হয়।
খাস জমি সরকারের মালিকানাধীন। বন্দোবস্তপ্রাপ্ত জমি বিক্রির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন ও শর্ত প্রযোজ্য হয়।
দলিল, খতিয়ান, নামজারি, ভূমি উন্নয়ন করের রসিদ এবং বাস্তব দখলের প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।